April 16, 2026, 7:50 am

সংবাদ শিরোনাম
অধিকার না ব্যবসা? ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের অন্ধকার অর্থনীতি রেস্টুরেন্ট, ভবন, আর অদৃশ্য টাকা: এক কর্মকর্তার সম্পদের নীরব বিস্তার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন: রংপুরে ১১ দলের বিক্ষোভ দিনাজপুর বধির ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নতুন পোশাক বিতরণ সাড়ে চার কোটি বিনিয়োগ নথি ঠিক, অদৃশ্য উৎস–আয়ের শেষ গন্তব্য কোথায়? রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা

রায়ের অনুলিপি পেতে যেন ঘুরতে না হয়

ডিটেকটিভ ডেস্কঃঃ

mostbet

রায়ের পর অনুলিপি পেতে বিচারপ্রার্থীদের যেন আদালতের বারান্দায় ঘুরতে না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শনিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট দিবসের আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে, বিচারিক কর্মকাণ্ড ডিজিটাল করার তাগিদও দেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্ট দিবসে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের আলোচনা সভায় বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন রাষ্ট্রপতি।

নিজ বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে এবং বিচারকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য আন্তরিক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

“কিন্তু বিচারকদের খেয়াল রাখতে হবে, মামলার রায় হওয়ার পর রায়ের কপি পাওয়ার জন্য বিচারপ্রার্থীদের যেন আদালতের বারান্দায় ঘোরাঘুরি করতে না হয়।”

তথ্য প্রযুক্তির প্রসার এবং আদালত ব্যবস্থাপনায় এর সম্ভাবনা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সমস্ত সুবিধা ব্যবহার করে মামলা ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনতে হবে। করোনাকালে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে উচ্চ আদালত ও অধস্তন আদালতের বিচারক ও আইনজীবীগণ বিচারপ্রার্থী জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মামলা দায়ের থেকে রায় ঘোষণা পর্যন্ত আদালতের বিচারিক কর্মকাণ্ড ডিজিটালি সংরক্ষণের তাগিদ দেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেহেতু ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ সেহেতু এর সকল নথিকে ডিজিটাল নথিতে পরিণত করার উদ্যোগ নিতে হবে। মামলা দায়ের থেকে রায় ঘোষণা পর্যন্ত সমস্ত কার্যক্রমকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করাও জরুরি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশ, জনগণ ও সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে বিচারকরা তাদের মেধা ও মনন প্রয়োগের মাধ্যমে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন দেশবাসী তা প্রত্যাশা করে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সুপ্রিম কোর্ট অগ্রণী ভূমিকা রাখছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, দেশে যে বিচারহীনতার সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল তা বন্ধ করেছে সর্বোচ্চ আদালত। এছাড়া বিচার ব্যবস্থা ডিজিটালে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ই-জুডিশিয়ারি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা কথাও জানান তিনি।

শক্ত আইনি কাঠামো থাকার পরও নারীরা বিচার বঞ্চিত উল্লেখ করে, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠির ন্যায় বিচার নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টিআকর্ষণ করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর শুরু হয় উচ্চ আদালতের কার্যক্রম। ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভার সিদ্ধান্তে এ দিন সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালন করা হয়।

//ইয়াসিন//

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর